মামলা প্রত্যাহারসহ ৪ দফা দাবিতে রোববার ছাত্রলীগের একাংশের অবরোধের কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়গামী (চবি) শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এ কর্মসূচির কারণে ক্লাস-পরীক্ষা ব্যহত হওয়াসহ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
সকাল থেকে তারা এই অবরোধের ডাক দেয়। অবরোধের ডাক দিয়ে সকাল সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়মাগী শাটল ট্রেনের হোসপাইপ কেটে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একাংশ। পরে ট্রেনের চালক ও সহকারীকে ধরে নিয়ে যায়। এর আধঘন্টা পর তাদেরকে ছেড়েও দেয় তারা।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের ব্যবস্থাপক বোরহান উদ্দিন বলেন, ষোলশহরে স্টেশন থেকে অবরোধকারীরা শাটল ট্রেনের লোকোমাস্টারকে অপহরণ করার পর ছেড়ে দেয়। এর আগে তারা ট্রেনের হোসপাইপ কেটে দেয়।
তবে এই ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।
এছাড়া ক্যাম্পাসের মূল ফটকেও তাল লাগায় আন্দোলনকারীরা। এতে ক্লাস-পরীক্ষা ব্যাহত হয়। গত দুই সপ্তাহে বেশ কয়েকবার দফায় দফায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।
এসব ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা হয়। এসব মামলা প্রত্যাহার না হলে অবরোধ চলবে বলে জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
হাটহাজারী থানার ওসি বেলাল উদ্দিন বলেন, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ বারবার সংঘর্ষে করায় তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। এ ঘটনায় তারা অবরোধের ডাক দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি দেখবেন বলেছেন— এরপরও তারা অবরোধ করেছে। আমরা তাদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।
ষোলশহর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।