রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বেড়াতে গিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ছাত্রলীগের হাতে মারধর ও ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনার শিকার ফারুক হোসেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
রাবির অভিযুক্তরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনি, ছাত্রলীগকর্মী মেহেদী হাসান পারভেজ, ইমরান হোসেন, ঝলক সরকার ও আতিক।
ফারুক হোসেন জানান, সন্ধ্যায় রিকশায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিম পাড়া থেকে কাজলার দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবলিশ চত্বর মাঠের কাছাকাছি পৌঁছালে কয়েকজন যুবক এসে রিকশা থেকে তাকে জোরপূর্বক নামিয়ে চড়-থাপ্পড় দিয়ে মোবাইল ফোন ছিনতাই করেন।
তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে মোটরসাইকেলে ফারুককে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলে নিয়ে যান তারা। হলের ছাত্রলীগ ব্লকের ৩০৬ নম্বর কক্ষে তাকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করেন ছাত্রলীগের ৫-৭ জন নেতাকর্মী। মারধর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ একাডেমিক ভবনের সামনে রেখে যান। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার হস্তক্ষেপে ফারুকের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, 'বিষয়টি জানার পর পরেই আমি হবিবুর রহমান হলে যাই। সেখানে গিয়ে আমি মোবাইল উদ্ধার করি। জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগাঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'
তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল ইসলামের মোবাইলে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, 'গত রাতে হবিবুর রহমান হলের ছিনতাইয়ের বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পারি। শেষে শুনেছি যে মীমাংসা হয়ে গিয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।' সূত্র/সমকাল