শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের আশ্বাসে আন্দোলন সাময়িক স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একাংশ।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে আসে এ ঘোষণা।
এদিন সকালেও দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ শুরু করে ছাত্রলীগের কমিটিতে পদবঞ্চিতরা। আন্দোলনকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে রাখেন। আর তাতে বন্ধ থাকে ক্লাস-পরীক্ষা, শাটল ট্রেন।
পরে শিক্ষা উপমন্ত্রী জানান, কমিটি পুনর্বিবেচনা করা হবে।
চবি শাখা ছাত্রলীগের পদবঞ্চিত বিজয় উপপক্ষের নেতা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, কমিটি পুনর্গঠন করে তাদের মূল্যায়ন করতে হবে।
রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর চবি শাখার ৩৭৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করে। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এই কমিটির অনুমোদন দেন।
কমিটি ঘোষণার পরই পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হলের প্রায় ৩০টি কক্ষ ভাঙচুর করেন। রোববার রাতেই চবির মূল ফটক আটকে দিয়ে অবরোধের ডাক দেন নেতা-কর্মীরা।
গতকাল সকালে ক্যাম্পাসগামী শাটল ট্রেনের চালককে অপহরণ করা হয়। এদিন চলেনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহনকারী বাস। তাই ক্লাস-পরীক্ষা হয়নি।