পঞ্চম দফা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও চেয়ারম্যান পদে বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ৭৩টি উপজেলার বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা বিজয়ী হয়েছেন ৫৩টিতে। এর মধ্যে বিদ্রোহী প্রার্থী ২ জন। বিএনপি সমর্থিতরা জয়ী হয়েছেন ১৪টিতে। জামাতসহ অন্যান্য দল ও নির্দলীয় প্রার্থীরা জিতেছেন ৬টি উপজেলায়। আর হাইকোর্টের নির্দেশে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত রেখেছে কমিশন।
প্রথম ও দ্বিতীয় দফায় পেছনে থাকলেও তৃতীয় ও চতুর্থ দফা উপজেলা নির্বাচনে এগিয়ে যায় আওয়ামী লীগ। আর পঞ্চম ধাপে উপজেলা নির্বাচনে ২ বিদ্রোহীসহ ৫৩টিতে জয়ী হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে ১৪টিতে। জামাত সমর্থিতরা জিতেছে ৩টি উপজেলায়। জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ২টি এবং ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ১টি উপজেলায় জিতেছে।
রংপুর বিভাগে ৭টি উপজেলার মধ্যে ৬টির মধ্যে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ৩টি করে আসনে জয়ী হয়েছে। আর জামাত জয়ী হয়েছে ১টিতে।
রাজশাহী বিভাগে ৬টি উপজেলার মধ্যে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হয়েছে ১টিতে। আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হয়েছে ৪টিতে। জামাত জয়ী হয়েছে ১টি উপজেলায়।
খুলনা বিভাগে ৫টি উপজেলার সবগুলোতেই চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হয়েছে।
বরিশাল বিভাগে অনুষ্ঠিত ৬টি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ১টিতে বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ৬টিতেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হয়েছে।
ঢাকা বিভাগে ২২টি উপজেলার মধ্যে ১৮টিতেই চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জয়ী হয়েছে। বাকী ৪টিতে জিতেছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা।
সিলেট বিভাগে ৬টি উপজেলার মধ্যে ৩টি করে সমভাবে জয়ী আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা।
চট্টগ্রাম বিভাগের ২১টি উপজেলার ১৪টিতে আওয়ামী লীগ, ৩টিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছে। জামাত জয়ী হয়েছে ১টিতে। জেএসএস ২টিতে। ইউপিডিএফ ১টি উপজেলায়।
এনিয়ে পাঁচ পর্বে ৪৬০টি উপজেলায় ভোট হলো।