আগামী ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জে উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী।
মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ৫ আসনের উপ-নির্বাচন এবং ছবি সহভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উপলক্ষে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জবাসী আগামী ২৬ জুন দেশবাসীকে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবে মন্তব্য করেন তিনি।
সেনাবাহিনী সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনো প্রার্থী সেনাবাহিনী মোতায়নের দাবি করেনি, তবে একজন প্রার্থী বলেছেন, সেনাবাহিনী মোতায়ন না করলে অন্যবাহিনীর ভূমিকা যেনো জোরদার করা হয়।
সেনাবাহিনীর ওপর মানুষের আস্থা বেশি— এ কথা উল্লেখ করে জাবেদ আলী বলেন, একজন সেনাবাহিনীর লোক হিসেবে তিনি গর্ববোধ করেন। সেনাবাহিনীকে সব জায়গায় ব্যবহার না করে ভাল কাজে ব্যবহার করলেই ভাল।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী দিয়ে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব।
এদিকে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ২০১১ সালে নির্বাচন কমিশন নারায়ণগঞ্জে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়েছিল। বর্তমান সরকার নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে ২৬ জুন নারায়ণগঞ্জে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেবে এমনটাই প্রত্যাশা করছে নির্বাচন কমিশনের কাছে।
সাবেক সংসদ সদস্য মামুন সিরাজুল মজিদ বলেন, ৯ জুন বন্দর উপজেলা নির্বাচনের মতো নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের উপ-নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের উপনির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য এসএম আকরাম, মামুন সিরাজুল মজিদ, কৃষক শ্রমিক জনতাপার্টির প্রার্থী সফিকুল ইসলাম দেলোয়ার।
তবে নির্বাচন কমিশনের মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন না জাতীয় পার্টি প্রার্থী একেএম সেলিম ওসমান।