নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উপনির্বাচনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির সেলিম ওসমান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আকরামের চেয়ে ১৬ হাজার ৭শ ৪২ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে রিটার্নিং অফিসার এ ফলাফল ঘোষণা করেন। ১৪১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৪০টি কেন্দ্রের ফলাফলে সেলিম ওসমান পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮শ ৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি এস এম আকরাম পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১শ ১৪ ভোট। অনিয়মের অভিযোগে একটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
ফলাফল ঘোষণার পরপরই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাত ১২টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘন্টা নারায়ণগঞ্জে নির্বাচন সংক্রান্ত মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এদিকে, সাড়ে নয়টায় সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনের ফলাফলের প্রতিক্রিয়া জানাবেন এস এম আকরাম।
ভোটগ্রহণ শুরুর পর সকাল ১০টা পর্যন্ত তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা গেছে।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা তিন লাখ ৪২ হাজার ৪০৫। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার এক লাখ ৭৪ হাজার ৩১১ ও নারী ভোটার এক লাখ ৬৮ হাজার ৯৪। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪১টি এবং ভোটার কক্ষ ৬৭৪টি।
উপনির্বাচনে প্রয়াত এমপির ভাই সেলিম ওসমান জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে লাঙল প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। তার বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে লড়ছেন ২০০১ সালে এ আসন থেকে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হওয়া সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা এস এম আকরাম।
এ দুজন ছাড়াও গামছা প্রতীক নিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার এবং চিংড়ি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুন সিরাজুল মজিদ উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে কোনো প্রার্থী দেওয়া হয়নি।
জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত এমপি নাসিম ওসমানের মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনটি শূন্য হয়।