ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দলের বাইরে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ব্যক্তিদের গুরুত্ব দিচ্ছে আওয়ামী লীগ ও আর জাতীয় পার্টি (জাপা)।
আওয়ামী লীগ পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নগরবাসীর জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিকেই সমর্থন দেবে তারা। জাতীয় পার্টির মতে, দলের ভেতর অথবা বাইরের যেই হোক না কেন যোগ্য ব্যক্তিকেই সমর্থন দেয়া হবে।
এরইমধ্যে প্রার্থীতার ক্ষেত্রে ভাবতে শুরু করেছে দলগুলো। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে করার সুযোগ নেই কিন্তু প্রার্থীদের সমর্থন দেয়া হবে দলীয়ভাবে।
এক্ষেত্রে আ’লীগ ও জাতীয় পার্টি নজর দিচ্ছে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি সম্পন্ন ব্যক্তির দিকে। তবে নির্বাচনে জোটগতভাবে সর্মথন দেয়া হবে কি-না সেটা এখনও বলতে পারছেন না নেতারা।
এদিকে, দেশের চলমান পরিস্থিতে ঢাকা সিটি নির্বাচনকে জরুরি বলে মনে করছে দল দুটি। অবরোধ-হরতাল কর্মসূচি প্রত্যাহার করে বিএনপিকে এ নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়ার পরামর্শ দিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
আর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুউল আলম হানিফ বলেন, এক্ষেত্রে বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানোর কিছু নেই।
এর আগে ১৬ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রী সভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেন। এরপরই শুরু হয় তোড়জোড়। ঢাকা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের জন্য সোমবার নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের নভেম্বরে দুই ভাগ হয় ঢাকা সিটি করপোরেশন। ৫৬টি ওয়ার্ড নিয়ে দক্ষিণ আর ৩৬টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত হয় উত্তর সিটি করপোরেশন।
আর ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল ২০০২ সালে।