বার্ষিক আয়ে ঢাকার দুই সিটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি নেতারা। আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকলেও বিএনপির প্রার্থীদের বিরুদ্ধে রয়েছে অনেকগুলো মামলা।
হলফনামা অনুযায়ী, ঢাকার দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সম্পদের পরিমাণ শত কোটি টাকার বেশি এবং তার বিরুদ্ধে ২৪টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
অপরদিকে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাঈদ খোকনের সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকার ওপরে। ঢাকার উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল মিন্টুর বার্ষিক আয় প্রায় সোয়া ৫ কোটি টাকা, ফৌজদারি মামলা রয়েছে ১৩টি। এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিসুল হকের বার্ষিক আয় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা।
গত রোববার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা নেয়া শেষ হয়। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে বুধ ও বৃহস্পতিবার। সোমবার প্রার্থীদের হলফনামার তথ্য নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
হলফনামার তথ্যনুযায়ী ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ৪৭ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীদের থেকে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে বিএনপি নেতারা।
ঢাকার দক্ষিণ সিটির মেয়র প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস হলফনামায় নিজেকে ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন, সম্পদের পরিমাণ শত কোটি টাকার বেশি। তার বিরুদ্ধে ২৪টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে।
এদিকে, সাঈদ খোকনও নিজেকে ব্যবসায়ী উল্লেখ করেছেন। তার সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকার বেশি। তবে, তার বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামালা নেই।
অন্যদিকে, ঢাকার উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী বিএনপি নেতা আব্দুল আওয়াল মিন্টুর ১৪টি প্রতিষ্ঠান থেকে বার্ষিক আয় প্রায় সোয়া ৫ কোটি টাকা, এছাড়া কৃষিখাতে প্রায় ৩ কোটি এবং অস্থাবর সম্পত্তি পরিমাণ প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে ১৩টি।
এদিকে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হকের ২২টি প্রতিষ্ঠান থেকে বাৎসরিক আয় প্রায় ৭৬ লাখ টাকা, অস্থাবর সম্পত্তি প্রায় ২৩ কোটি টাকা। তার বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা নেই।
এছাড়া অন্যান্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের সাবেক উপদেষ্টা ববি হাজ্জাজের বার্ষিক আয় সোয়া ৬ লাখ টাকা ও সিপিবি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আবদুল্লাহ আল কাফীর বার্ষিক আয় ১০ লাখ টাকা দেখিয়েছেন হলফনামায়।