ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। দল-সর্মথিত একক প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও ঢাকা সিটির ১২৫টি ওয়ার্ডের প্রায় সবকটিতেই দুই বা ততোধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এতে করে ভোট ভাগাভাগির আশঙ্কা রয়েছে। তাতে হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে বিজয়।
বিদ্রোহী প্রার্থীদের দাবি, তারাই যোগ্য প্রার্থী নিজ এলাকায়। আর নেতাদের আশা শেষ পর্যন্ত দলের সর্মথন পাওয়া একক প্রার্থীরাই থাকবেন নির্বাচনের মাঠে।
দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে দলের সর্মথনের বাইরে গিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উত্তর-দক্ষিণ মিলিয়ে ১০৩টি ওয়ার্ডের প্রায় সবকটিতেই রয়েছে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী।
সেসব প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণাও চালাচ্ছেন বেশ জোরেসোরে। তারা দল সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে আনছেন নানা অভিযোগ।
উপর থেকে চাপ প্রয়োগ করে বসিয়ে দেয়ার চেষ্টা হয়েছে বলে জানান ২৬ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী হাসিবুর রহমান মানিক ও ২১ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ।
অভিযোগ উঠেছে, দলীয় সর্মথনের বাইরে নিজ নিজ সংগঠনের নেতাদের জিতিয়ে আনতে তৎপর রয়েছেন সহযোগী সংগঠনের বেশ কিছু নেতা।
ঢাকা দক্ষিণে সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করা দলের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আব্দুর রাজ্জাকেরও চিন্তা কি করা যায় এসব প্রার্থীদের নিয়ে।
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, শেষ পর্যন্ত দল সমর্থিত প্রার্থীই থাকবেন নির্বাচনী মাঠে।