ঢাকা সিটি নির্বাচনে উত্তর ও দক্ষিণ মিলিয়ে মোট চার মেয়র প্রার্থী বৃহস্পতিবার নিজেদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।
মেয়র প্রার্থীরা হলেন: ঢাকা উত্তরের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তাবিথ আউয়াল, বিকল্প ধারার সাংগঠনিক সম্পাদক মাহী বি চৌধুরী, সিপিবি-বাসদ সমর্থিত আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন ও দক্ষিণে জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন।
এ নিয়ে ১০ মেয়র প্রার্থী ইশতেহার প্রকাশ করে জানালেন নির্বাচনে জয়ী হলে নগরীর সমস্যা সমাধানে কিভাবে কাজে লাগাবেন নিজেদের যোগ্যতা।
প্রতীক বরাদ্দের ৩ দিন আগ থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা চালালেও ১০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দের পরদিনই নানা অঙ্গীকার নিয়ে শুরু প্রার্থীদের ইশতেহার ঘোষণা।
নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য একদিকে প্রচারণা অন্যদিকে প্রার্থীদের ইশতেহারের মাধ্যমে অঙ্গীকার। এ দুই নিয়েই চলছে ভোটারদের নজর কাড়ার চেষ্টা।
বিএনপি সমর্থিত ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল লড়ছেন বাস প্রতীক নিয়ে। দুর্নীতিমুক্ত ও বসবাসযোগ্য আদর্শ ঢাকা গড়ার প্রত্যয়ে সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিনি ১২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।
গুরুত্ব দেন মেট্রোপলিটন সরকার গঠন করে স্বশাসিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, ঢাকাকে নিরাপদ ও শিশু-নারী-গরীববান্ধব ঢাকা গড়ে তোলার।
রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে বিকল্প ধারার ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী মাহী বি চৌধুরী নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণায় অগ্রাধিকার দেন নিরাপদ, চলমান ও আলোকিত ঢাকা গড়ার। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনের।
৩ দফা ইশতেহারে যুগোপযোগি ট্রাফিক ব্যবস্থা, যানমাল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, পরিবেশ-প্রতিবেশের উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
এদিকে, ঢাকাকে যানজটমুক্ত রাখাসহ সিপিবি বাসদ সমর্থিত প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ক্বাফী ৭১ দফার ইশতেহার ঘোষণা করেন।
জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সাইফুদ্দীন আহমেদ মিলন ১৮ দফা দাবি নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। রাজধানী ঢাকাকে সকল সময়ের জন্য হরতাল-অবরোধের মতো ধ্বংসাত্বক রাজনীতি থেকে মুক্ত রাখার জন্য জনমত গঠন করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়ার প্রত্যয় জানান তিনি।