সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা রোববার রাতে শেষ হয়েছে। শেষ মুহূর্তে চলছে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি। চট্টগ্রামের বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে নির্বাচনী বিভিন্ন সরঞ্জাম। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ৭১৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের তালিকায় ৫৫১টিই ঝুঁকিপূর্ণ।
তবে এবার সব কেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোট হবে বলে আশাবাদী নির্বাচন কমিশন। র্যা ব, পুলিশ, আনসার, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের নগরপিতা নির্বাচনে ভোট কেন্দ্র দখল বা কারচুপির কোনো আশঙ্কা করছে না নির্বাচন কমিশন।
৪১টি ওয়ার্ডে প্রায় ১৮ লাখ সাড়ে ১৩ হাজার ভোটারের চট্টগ্রাম মহানগরীতে লড়ছেন ১২ জন মেয়র, ২৫৭ জন কাউন্সিলর এবং ৬২ জন মহিলা প্রার্থী। গতকাল মধ্যরাতেই প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে। এখন অপেক্ষা নগরবাসীর রায়ের।
যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশনও। এরই মধ্যে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে সব নির্বাচনী সরঞ্জাম। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ৭১৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৫১টি ভোট কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে সেগুলোর ওপর রাখছে বাড়তি দৃষ্টি। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন থাকছে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে।
ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা প্রক্রিয়া অতীতের তুলনায় আরও সহজ ও সচ্ছ করতে এবার আরএমএস বা ফলাফল ব্যবস্থাপনা নামে নতুন সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে কমিশন। এ লক্ষে ভোটের দিন এম এ আজিজ স্টেডিয়াম ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ন্ত্রনে নিচ্ছেন তারা। যেখানে ১৪টি আলাদা আলাদা বুথে প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল ক্রসচেক করা হবে।
ভোটগ্রহণের শুরু থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রতিকর ঘটনা ঘটবে না বলে আশা আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের।