সিটি নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমদ বলেন এর ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সতর্ক করেন।
সোমবার বিকেলে কমিশন কার্যালয়ে ঢাকার ২ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সক্ষম কমিশন- উল্লেখ করে তিনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
সিইসি জানান, ভোটগ্রহণের সময় কেন্দ্রের ভেতর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সশস্ত্র সদস্যসহ ২২ জন নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। আর ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১২ জন সশস্ত্র সদস্যসহ নিয়োজিত থাকবেন ২৪ জন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা রক্ষায় ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানো হবে বলেও জানান তিনি।
ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজস্ব ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন—আপনারা নিরাপদে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবেন, ভয়ভীতি উপেক্ষা করে নির্বিঘ্নে ভোট দিন এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন সিইসি।
এ সময় কমিশনার বলেন, ভোটারা যাতে কোনো রকম সমস্যায় না পড়েন তার জন্য সকল ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কেউ আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করবেন না, করলে আইন মেনে সব ব্যবস্থা নেয়া হবে। আপনার পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিবেন। যাকে খুশি তাকে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের পক্ষপাত করলে তা নির্বাচন কমিশন সহ্য করবে না বলে জানান তিনি।
'সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দায়িত্ব পালনে পক্ষপাতিত্ব কমিশন বরদাশত করবে না—এ কথা উল্লেখ করে সিইসি বলেন, সংশ্লিষ্টদের নিরপেক্ষতা বজায় রেখে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দিচ্ছি।'
সিইসি বলেন, 'সিটি নির্বাচনে ৪ হাজারেরও অধিক প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিককে কার্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া শতাধিক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও স্থানীয় বিপুল সংখ্যক পর্যবেক্ষক নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন।'