স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সরকারি সুযোগ-সুবিধা না নিয়ে প্রচারণা চালাতে পারবেন মন্ত্রী ও সাংসদরা। শুধুমাত্র ভোটের দিন বাদে যে কোনো প্রার্থীর পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।
বৃহস্পতিবার এ বিধিমালা ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
ইসির প্রস্তুতকৃত খসড়া বিধিমালা অনুযায়ী; প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন।
তবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্রের ব্যবহার বা অনধিক সরকারি সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না। একইসঙ্গে সরকারি-আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ব্যবহার করতে পারবেন না।
পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভোটদান ছাড়া ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ কিংবা ভোট গণনার সময় গণনাকক্ষে প্রবেশ বা উপস্থিত থাকতে পারবেন না।
এছাড়াও দলীয়ভাবে পৌরসভার নির্বাচনের অধ্যাদেশ জারির পর প্রস্তুত পৌরসভা (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা-২০১৫ চূড়ান্ত খসড়ায় এ বিধান রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
প্রস্তাবিত নির্বাচনী বিধিমালায় নির্দিষ্টসংখ্যক ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা জমা দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, বিগত দিনে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ভোটারদের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকা জমা দেয়ার প্রয়োজন হত না। এ নির্বাচনে প্রতি পৌরসভায় সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলো।
চেকের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা অনুদান নিতে পারবে দলগুলো। তৃণমূলে মনোনয়ন পদ্ধতি ও কর্তৃপক্ষ ঠিক করবে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো।