নড়াইল পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য মেয়র কাউন্সিলর প্রার্থীরা— আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এরইমধ্যে শুরু হয়েছে অনানুষ্ঠানিক প্রচার, শহরের বিভিন্ন এলাকায় টানানো হচ্ছে শুভেচ্ছা তোরণ।
সম্ভাব্য প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের কাছে। নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী থাকায় এবারো অভ্যন্তরীণ কোন্দলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
গত ২০১০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বিএনপি প্রথমবারের মতো নড়াইল পৌরমেয়র পদে জয়লাভ করে।
বিগত ১৯৭২ সালে নড়াইল পৌরসভা স্থাপিত হয় দীর্ঘ ২৭ বছর পর ১৯৯৯ সালে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় উন্নীত হয়। প্রায় ২৯ বর্গকিলোমিটার নিয়ে গঠিত পৌরসভার গ্রামের সংখ্যা ২৪টি এবং জনসংখ্যা ৭০ হাজার।
এবার নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ২৯০৯০ জন। বরাবরই এ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়লাভ করে। তবে গত ২০১০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুইজন প্রার্থী থাকায় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী জয়লাভ করে। কিন্তু তিনি নাশকতার মামলার কারণে মেয়র পদ থেকে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি বরখাস্ত হন।
এবার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৮ জন প্রার্থী মাঠে নেমেছেন এছাড়াও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক মেয়র জুলফিকার আলীসহ নির্বাচনে প্রায় একডজন প্রার্থী এবার নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে জানা গেছে।
নির্বাচনকে ঘিরে পুরো নড়াইল জুড়ে উৎসবের আমেজ। চায়ের দোকান থকে শুরু করে সব জায়গায় চলছে নির্বাচনী আলোচনা। দল বা মার্কা নয় সৎ যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দিবেন বলে জানান এলাকাবাসী।
মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় মেয়র প্রার্থী সরদার আলমগীর হোসেন আলম ও আঞ্জুমানআরা বেগম।
শুধু মেয়র প্রার্থী নয়, কাউন্সিলর পদে প্রার্থীরাও নেমেছেন গণসংযোগে। বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টায় ব্যস্ত সবাই।