প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো দিনাজপুর পৌরসভায় নির্বাচনের সময় এগিয়ে আসার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের উন্নয়নের আশ্বাস। তবে পৌরবাসী বলছে, প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি নয়, কাজ করবে এমন ব্যক্তিকেই মেয়র হিসেবে পেতে চায় তারা।
এদিকে, পৌরএলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ না হওয়ার জন্য বর্তমান মেয়র ও স্থানীয় বিএনপি নেতা সরকারের বৈরি মনোভাবকে দায়ী করেছেন। তবে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলছেন, মেয়রের অদক্ষতার কারণে বরাদ্দের টাকা ফেরত নিয়েছে এডিবি।
১৮৬৯ সালে যাত্রা শুরু করা দিনাজপুর পৌরসভায় ২৪.৫০ বর্গকিলোমিটারে মোট ২৩টি মৌজায় ১২টি ওয়ার্ড রয়েছে। এ পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালে। সেই সময়ে মেয়র পদে বিজয়ী হন জেলা বিএনপি'র সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।
তবে পৌরবাসীর অভিযোগ গত ৫ বছরে তেমন একটা উন্নয়ন হয়নি। বিশেষ করে রাস্তাঘাটের বেহাল দশা প্রতিনিয়ত বিড়ম্বনায় পড়তে হয় এলাকাবাসীকে।
রাজনৈতিক কারণে সরকারের কাছ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।
আর স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি জানিয়েছেন, উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট বরাদ্দ দেওয়া হলেও মেয়রের অদক্ষতা ও দুর্নীতির কারণে কোনো কাজই বাস্তবায়ন হয়নি।
এদিকে নির্বাচনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির তালিকাও বাড়ছে। বাইপাস রোড, ওভার ব্রীজ, শিশুপার্ক, রাস্তাঘাট, পানি নিস্কাশনের নালা-নর্দমার উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির বানী এখন তাদের মুখে।
তবে পৌরবাসী বলছে, সামনে নির্বাচনে দক্ষ ও কর্মঠ প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে জয়ী করতে চান তারা।
এরইমধ্যে এ পৌরসভার নির্বাচনে বিভিন্ন দলের ১৩ জন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা শোনা যাচ্ছে।