পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার আর মাত্র একদিন বাকি আর এরইমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার হিড়িকও পড়েছে রিটার্নিং অফিসগুলোতে। এরপরই শুরু হবে যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। ৫ ও ৬ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা যাবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর।
এরইমধ্যে মনোনীত কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে পথসভা ও ঘড়োয়া সভা করতে চাইলে প্রস্তাবিত সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে প্রশাসনকে জানাতে হবে আচরণবিধিতে এমন শর্ত রেখে বুধবার রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পরিপত্র পাঠিয়েছে কমিশন।
রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকদের আচরণবিধি মেনে চলতে একটি পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।
পরিপত্রে বলা হয়েছে :
কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা ৮ ডিসেম্বর রাত ১২টার আগে শুরু করা যাবে না। পথসভার জন্য একটি এবং নির্বাচনী প্রচারণার জন্য একটির বেশি মাইক্রোফোন ব্যবহার করা যাবে না।
পথসভা বা ঘরোয়া সভা ছাড়া কোনো জনসভা বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। সভা করলেও ২৪ ঘণ্টা আগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।
নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারো নাম বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবেন না।
তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনীত হলে কেবল তার দলের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি বা পোস্টার ছাপানোর বিধান রাখা হয়েছে।
প্রচারণার সময় চলাচলের পথে কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
যদি কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি নির্বাচন-পূর্ব সময়ে আচরণবিধির কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ ৬ মাসের কারাদণ্ডের বিধান রেখেছে কমিশন।
এছাড়া, কমিশনের বেঁধে দেয়া ব্যয় সীমার মধ্যে থেকেই প্রার্থীদের নির্বাচনী খরচের জন্য আলাদা ব্যাংক হিসাব খোলার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
জামাতের দল হিসেবে নিবন্ধন বাতিল করা হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে বলেও কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এদিকে, এবারই প্রথমবারের মতো পৌরসভার মেয়র পদে দলীয়ভাবে নির্বাচন হচ্ছে। এরইমধ্যে বড় দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মেয়র পদের জন্য প্রার্থীও চূড়ান্ত করে ফেলেছে। প্রস্তুতি চলছে অন্য দলগুলোতেও। মেয়র, কাউন্সিলর আর সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে ব্যস্ত প্রার্থীরা।