দেশে প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচনে ২৩৫টি মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য এক হাজার ২২৩ জন মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে।
নির্বাচনে সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১২ হাজার ৪৬৬ জন।
শুক্রবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিতসকরেছেন নির্বাচন কমিশনের উপসচিব সামসুল আলম।
ইসি উপসচিব সামসুল আলম জানান, মেয়র পদে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট এক হাজার ২২৩টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
সাধারণ কাউন্সিলর কাউন্সিলর পদে ৯৭৯৮ জন আর সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ২৬৬৮ জন।
এসব পৌরসভায় মোট মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ১৩ হাজার ৬৮৯টি, যা গত পৌরসভা নির্বাচনের তুলনায় কম।
সর্বশেষ ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনে আড়াইশ পৌরসভায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর ১৫ হাজারেরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। এরমধ্যে মেয়র পদে ১২০০ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে তিন হাজার ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৩০০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
এবার মেয়র পদে দল থেকে প্রার্থী ঠিক করে দেয়ায় মোট প্রার্থীর সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে বলে জানান এ কর্মকর্তারা।
আজ-শনি ও রোববার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দিয়েছে। আর ভোট হবে ৩০ ডিসেম্বর।
২৩৫টি পৌরসভায় এবার সোয়া ৩ হাজার পদে ভোট হবে। এরমধ্যে মেয়র পদ ২৩৫টি, সাধারণ কাউন্সিলর পদ দুই হাজার ২১১টি ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদ ৭৩৭টি।
গত বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল। নিবন্ধনভুক্ত ৪০টি দলের মধ্যে অর্ধেকের বেশি নির্বাচন কমিশনে তাদের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর তালিকা জমা দিলেও এখন পর্যন্ত ১৪টি দলের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কমিশনের সহকারী সচিব রাজীব আহসান বলেন, মাঠপর্যায়ের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ১৪টি দলের প্রার্থীদের কথা জানা গেছে।
আজ- শনিবার চূড়ান্তভাবে জানা যাবে মোট কতটি দলের প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
দলের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে একশ’ ভোটারের সমর্থনের তালিকা দিতে হয়েছে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইচ্ছুকদের। তবে সাবেক মেয়রদের ক্ষেত্রে এ তালিকার দরকার হয়নি। সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে নির্দলীয়ভাবে ভোট হচ্ছে।