আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ায় নির্বাচনী এলাকাগুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া না হলেও প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর।
সারাদেশের মতো পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে এরইমধ্যে শুরু হয়ে গেছে সকল ধরনের প্রচার-প্রচারণা। যোগ্য ও সৎ প্রার্থী নির্বাচিত হবে এ প্রত্যাশা তাদের।
এদিকে, কিশোরগঞ্জ পৌরসভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে চলেছেন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুন্নাহার লিপি। আর বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী হাজী ইসরাইল মিয়া নির্বাচন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রায় ৩৩ হাজার ৬১৯ ভোটার নিয়ে খাগড়াছড়ি পৌরসভা। যেখানে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১৯ হাজার ১২২ জন আর নারী ভোটার ১৪ হাজার ৪১৯ জন। পৌরবাসীর প্রত্যাশা আসন্ন ৩০ ডিসেম্বরের পৌরসভা নির্বাচনে যোগ্য ও সৎ প্রার্থী নির্বাচিত হবেন যিনি মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এদিকে, কিশোরগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে দল থেকে অযোগ্য ব্যক্তিকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ এনে নির্বাচন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী হাজী ইসরাইল।
আর পৌরসভার ৪,৭ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনে কাউন্সিলর প্রার্থী আম্বিয়া খাতুনের মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে চলেছেন কামরুন্নাহার লিপি। আগামী ১৩ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম।