পৌর নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে-রোববার বড় দুটি দলের বেশির ভাগ বিদ্রোহী প্রার্থীরা সরে দাঁড়িয়েছেন।
সারাদেশে ২৩৪টি পৌরসভায় আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল আজ।
অবশেষে বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই মেয়র পদ থেকে তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী আগামীকাল (সোমবার) প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর সারাদেশে ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল রোববার। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে মনোনয়ন প্রত্যাহার। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির বেশিরভাগ বিদ্রোহী প্রার্থীই এদিন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটোয়ারী, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটোয়ারী, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
নড়াইলের দুই পৌরসভায় ২ জন মেয়র প্রার্থী ও ৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাহার করা দুইজনই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
নাটোরের ছয়টি পৌরসভায় বিএনপির ৩ বিদ্রোহী প্রার্থী, ও জামাত সমর্থিত একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মেয়র পদে ৪ জন এবং কাউন্সিলর পদে পাঁচ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
যশোরে বিএনপির ২ জন ও আওয়ামী লীগের একজন বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এছাড়া, যশোরের ৬টি পৌরসভা থেকে কাউন্সিলর পদে ২৯ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
হবিগঞ্জে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থী ও জাতীয় পার্টি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। হবিগঞ্জ পৌরসভায় বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন সাময়িক বরখাস্ত হওয়া বর্তমান মেয়র জি কে গউছ।
এদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়তে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান।
ভোলা সদর, দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন পৌরনসভায়স আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী ও ১৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থীসহ ১৭ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
এছাড়া কুড়িগ্রামের তিনটি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। কাউন্সিলর পদে প্রার্থিতা প্রত্যাহর করেছেন এক জন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী আগামীকাল প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। প্রতীক পেয়ে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।