আসন্ন ২৩৪টি পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র পদে চূড়ান্ত প্রার্থী ৯২১ জন। এরই মধ্যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে প্রতীক। নির্বাচনের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে দেশের বড় তিন রাজনৈতিক দল-আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি। আর স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭১ জন।
এর মধ্যে দল থেকে বহিষ্কারের আশঙ্কা মেনে নিয়েই স্বতন্ত্র নামে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন আওয়ামী লীগ-বিএনপির অনেক বিদ্রোহী প্রার্থী।
আর স্বতন্ত্রের মধ্যে জামাতের নেতারাও রয়েছেন। স্থানীয় নির্বাচনে এবারই প্রথম ৬টি পৌরসভায় মেয়র পদে একক প্রার্থী থাকায় এসব জায়গায় নির্বাচন হবে না।
প্রতীক বরাদ্দের আগেই প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে।
কমিশনের তথ্য অনুযায়ী- ২৩৪টি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন ৯২১ জন।
রাজনৈতিক দলের ৬৫০ জনের মধ্যে- আওয়ামী লীগের ২৩৩ জন। বিএনপি'র ২১৯ জন প্রার্থী। জাতীয় পার্টির ৭৩ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৫৬ জন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ ২০ জন। কমিউনিস্ট পার্টি ৪ জন। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ৭ জন। ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ১৭ জন। জাতীয় পার্টি-জেপি ৬ জন। বিকল্পধারার ১ জন প্রার্থী।
এছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন ২৭১ জন। এদের মধ্যে স্বতন্ত্র নামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অনেক বিদ্রোহী প্রার্থীই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দল থেকে বহিষ্কারের হুমকি দিয়েও নির্বাচনের ময়দান থেকে অনেক বিদ্রোহী প্রার্থীকে সরানো যায়নি। স্বতন্ত্রের মধ্যে আরো রয়েছেন জামাত নেতারা।
এদিকে, পিরোজপুর, মাদারগঞ্জ, টুংগীপাড়া, ফেনী, পরশুরাম ও চাটখিল পৌরসভায় মেয়র পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়ে পথে রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের ৬ প্রার্থী। স্থানীয় নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ার ঘটনার নজির অতীতে না থাকলেও, কমিশন এটাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখছে না।
প্রার্থীরা আগে থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেও, প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই মূলত শুরু হয়েছে আসল নির্বাচনী আমেজ। তবে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোন ঘটনা যেন না ঘটে সে ব্যাপারে আবারো সতর্ক করে দিয়েছে কমিশন।
দেশে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে পৌর নির্বাচন হচ্ছে। মর্যাদার লড়াইয়ে নিজ দলের প্রার্থীদের জেতাতে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।