সারাদেশে পৌর নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা এখন তুঙ্গে। বুধবার সকাল থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে মেয়র, সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন।
তবে ভোটাররা জানিয়েছেন, শুধু আশ্বাস নয়, নাগরিক সমস্যা সমাধানে যারা এগিয়ে আসবেন তাদেরকেই বেছে নেবেন তারা।
প্রতীক পেয়ে বেশ জোরেশোরেই প্রচারণা শুরু করেছেন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। দলীয় প্রতীকে এবারই প্রথম স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় রয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।
চায়ের দোকান থেকে খেলার মাঠ-রাজশাহীর সর্বত্রই নির্বাচন নিয়ে আলোচনা। লিফলেট হাতে করে প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটারদের কাছে। এলাকার প্রধান সমস্যা সমাধানসহ নানা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের মুখে।
তবে ভোটাররা বলছেন, যেসব প্রার্থী স্থানীয় সমস্যা সমাধান করতে পারবেন তাদেরকেই ভোট দিতে চান তারা।
এদিকে, প্রতীক পাওয়ার পরই যশোর সদর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মারুফুল ইসলামের পক্ষে প্রথমবারের মতো নির্বাচনী প্রচারণা চালায় জেলা বিএনপি। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ করেন দলের নেতারা। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী জহিরুল ইসলাম চাকলাদার।
চুয়াডাঙ্গায়ও প্রার্থীরা গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ করছেন উঠান বৈঠক, কেউ বা আবার কর্মীসভায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।