প্রতীক নিয়ে পৌরসভা এলাকাগুলোতে ধানের শিষ আর নৌকার প্রচারণা চলছে জোরেসোরেই। প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে এমন বিভিন্ন অভিযোগও আসছে কমিশনে।
পৌর নির্বাচনের ১২ দিন বাকি থাকায় সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করতে কমিশনেও চলছে তোড়জোড়। এরইমধ্যে ২৩৪ পৌরসভায় রির্টানিং ও সহকারী রির্টানিং অফিসার নিয়োগ দিয়েছে কমিশন। মেয়র পদে কোন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী না থাকায় ৬ পৌরসভায় জয়ী ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীরা।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর আসন্ন পৌর নির্বাচনের প্রার্থীদের হরদোম প্রচারণার মধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে কাজ করছে কমিশন। এরইমধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশন বজায় রাখতে আগামী শনিবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক ডাকা হয়েছে।
দেশের ৩২৪টি পৌরসভার মধ্যে ২৩৪টিতে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। যার মোট ভোটার সংখ্যা ৭০ লাখ ৯৯ হাজার ৪৪ জন।
এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৫ লাখ ৫২ হাজার একশ ৮২ জন। নারী ভোটার ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৮৬২ জন।
আর ভোটকেন্দ্র ৩ হাজার ৫৫২ জন। ভোটকক্ষ ২১ হাজার ৭১ জন।
এদিকে, তিন পদের মোট ৩,১৫৮টি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী আছেন ৯২১ জন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৮,৫৮৯ জন। সংরক্ষিত আসনে কাউন্সিলর পদে ২,৫৩৩ জন প্রার্থী।
এবার ৬টি পৌরসভায় একক প্রার্থী থাকায় মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না।
২৩১ জন রিটার্নিং অফিসার হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসক, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
প্রতিটি পৌরসভায় সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসার। প্রিজাইডিং অফিসার ৩,৫৫২ জন।
এদিকে, নিজ দলের বিদ্রোহী প্রার্থীর নামে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে আওয়ামী লীগ।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে এ অভিযোগ করেন সংসদ সদস্য শওকত আলী জানান, কমিশনের প্রতি তার আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে নির্বাচনী পরিবেশ যেন সুষ্ঠু থাকে এ জন্য কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।