আসন্ন পৌর নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ।
শনিবার রাজধানীর ইস্কাটনে বিয়াম মিলনায়তনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে করণীয় ঠিক করতে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
পৌর নির্বাচনের জন্য পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে— উল্লেখ করে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পৌর এলাকাগুলোর পরিস্থিতি উদ্বেগজনক নয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে বৈঠকে জানিয়েছেন বিভিন্ন পৌর এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
তিনি আরো বলেন, সেনাবাহিনী মোতায়েনের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন পৌর এলাকার রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ ফোর্স মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি ভালো রয়েছে বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)।
এর আগে সকাল ১১টায় রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম) ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনাররা, ইসি সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, র্যাব, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি, কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক ও রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, পৌর নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ভেদে ১৯ থেকে ২০ জন ফোর্স মোতায়েন করা হবে। এ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে তিন হাজার ৫৮৫টি। কেন্দ্রে পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, এপিবিএন মোতায়েন থাকবে। এছাড়া ভোটার এলাকায় ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত র্যাব, বিজিবি, পুলিশ, কোস্ট গার্ড- স্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম হিসেবে মোতায়েন থাকবে। সবমিলিয়ে ৭০ হাজারের বেশি ফোর্স থাকছে এ নির্বাচনে।
সর্বশেষ ২০১১ সালের অষ্টম পৌরসভা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। এবার সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানো হবে কিনা, তা নির্ধারণ হবে এ বৈঠকে।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের ২৩৪ পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে মেয়র পদে ৯২৩ ও কাউন্সিলর পদে ১১ হাজার ১২২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রায় ৭২ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।