আসন্ন পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন।
সোমবার সকালে রাজধানী মুক্তিভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তারা।
নির্বাচনকে ঘিরে যেসব আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না উল্টো গণমাধ্যমের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করছে বলে জানান সুজনের নির্বাহী বদিউল আলম মজুমদার।
পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হলে জাতীয় নির্বাচনেও কমিশনের প্রতি মানুষ আস্থা রাখতে পারবে না বলে মনে করে সুজন।
পৌর নির্বাচন একেবারে দ্বারপ্রান্তে কিন্তু থেমে নেই আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সহিসংতা- এমন অভিযোগ সামনে রেখে রোববার সংবাদ সম্মেলন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন।
সুজনের বিশ্লেষণে দেখা যায়,
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫০টি সংহিসতার ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন স্থানে জোর করে প্রার্থীদের কাছ থেকে মনোনয়ন ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি দলের ৬ জন মেয়র ও ১৩৪ জন কাউন্সিলর প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সরকারি দলের ২৩ জন মন্ত্রী ও এমপির বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী ও বিদ্রোহীদের মননোয়ন বাতিল করা হলেও,সরকারি দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তা টিকে যাচ্ছে।
সুজনের নির্বাহীর দাবি সবক্ষেত্রেই নির্বাচন কমিশন নীরব ভূমিকা পালন করছে— তাই সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
বক্তারা বলেন, এই নির্বাচন কমিশন অতীতের ধারা বজায় রাখলে দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাই প্রশ্নের মুখে পড়বে।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে যথাযথভাবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গণমাধ্যমের উপর থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের আহবান জানিয়েছেন কলামিস্ট আবুল মকসুদ।