দলীয় প্রতীকে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত পৌরসভার মেয়র পদের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছে ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগ। আর ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে বিএনপির।
২৩৪টি পৌরসভার ৭টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কারণে ২২৭টি পৌরসভায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেয়র পদের মধ্যে ১৮০টিতে আওয়ামী লীগের, ২২টিতে বিএনপির, ২৪টি স্বতন্ত্রের মধ্যে ১২ জনই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এবং ১টিতে জয়ী হয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী।
সবশেষ ২০১১ সালের পৌর নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির লড়াই সমানতালে হলেও এবার প্রথম দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বিভাগ থেকে শুরু করে দেশের দক্ষিণাঞ্চল, উত্তরাঞ্চলে সবখানেই আওয়ামী প্রার্থীদের সঙ্গে পেরে ওঠেনি বিএনপি প্রার্থীরা।
গতকাল বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা থেকে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। এবার ২৩৪টি পৌরসভার মধ্যে ৭টি পৌরসভায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার কারণে ২২৭টি পৌরসভায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
তবে, সহিংসতার কারণে নরসিংদীর মাধবদি পৌরসভার ভোট বাতিল হয়ে যায়। পাশাপাশি আরো ৬টি, নোয়াখালীর চৌমুহনী, ঠাকুরগাঁও সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর, কুড়িগ্রামের উলিপুর, মাদারীপুরের কালকিনি ও বরগুনার বেতাগী পৌরসভার ফলাফল স্থগিত হওয়ায় ২২০টি পৌরসভার ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
বিকেল ৪টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর শুরু হয় ভোট গণনা। সন্ধ্যার মধ্যেই কোন কোন কেন্দ্রে গণনা শেষ হয়।
২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পৌর নির্বচান দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হওয়ায় এই নির্বাচন পরিণত হয় নৌকা ও ধানের শীষের মর্যাদার লড়াইয়ে। এরমধ্যে ২০১৪ সালে জাতীয় নির্বাচন এবং এ বছর ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিলেও বর্জন করে বিএনপি।