অনেক জায়গা থেকেই মনোনয়নপত্র জমায় বাধা দেয়ার অভিযোগ আসছে— ভবিষ্যতে যাতে কেউ এ অভিযোগ করতে না পারে সেজন্য আমরা একাধিক স্থানে মনোনয়নপত্র জমার ব্যবস্থা করা হবে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. শাহ নেওয়াজ।
সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
এক্ষেত্রে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়কেই করাই নিরাপদ বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, কিছু কিছু জায়গায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দিয়েছে এমন অভিযোগ রয়েছে— সেক্ষেত্রে আমরা এখন নতুন করে চিন্তা করছি, একাধিক জায়গায় মনোনয়নপত্র দাখিল করা যায় কি-না। এ লক্ষ্যে কাজ করছি, আশাকরি আজ-কালের মধ্যেই আমরা একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবো এতে প্রার্থীরা যেখানে স্বস্তিবোধ করবেন সেখানেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন।
তিনি বলেন, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় যেহেতু শেষ তাই এ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এটা আর সম্ভব নয়। তবে পরবর্তী পাঁচটি ধাপে তা করা যাবে। সেগুলোতে মানুষ এ অভিযোগ যেন না করতে পারে তা বন্ধ করতেই একাধিক জায়গায় মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ব্যবস্থা করার চিন্তা করছি। শুধু ইউপি নয়, পরবর্তী সব নির্বাচনের জন্য একাধিক জায়গার বিষয়টি চিন্তা করছি। এক্ষেত্রে আমরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককেই চিন্তা করবো। কেননা এ দু’টি জায়গা নিরাপদ।
বিএনপি নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দিয়েছে— কমিশনরে পর্যবেক্ষণ কী বলে-সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের পর্যবেক্ষকরা এখনো প্রতিবেদন জমা দেয়া শুরু করেনি বা অভিযোগ দেয়নি। তবে কিছু অভিযোগ ঢালাওভাবে এসেছে। সেগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা কিছু কিছু তদন্ত করেছি। যেখানে ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজন সেখানে নেব। যেহেতু আমাদের দায়িত্ব রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় ভিত্তিক, সেখানের কোনো অভিযোগ পায়নি। এছাড়া বাইরে যা ঘটবে তা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যবস্থা নেয়া জন্য বলা হয়েছে।
শাহ নেওয়াজ বলেন, নির্বাচনে সবাই যেন সমান সুযোগ পায়, আমরা এটাই চাইবো। অসম প্রচারণার সুযোগ থাকবে এটা মনে করি না।
আগামী ২২ মার্চ দেশের ৭৩৮ ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আরও ছয় দফায় প্রায় চার হাজার ইউপির ভোটগ্রহণ করবে ইসি।