ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার-প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন প্রার্থীরা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করেছেন তারা। এলাকার উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি তাদের মুখে।
তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন আনুষ্ঠান নিয়ে শঙ্কায় নোয়াখালীর স্থানীয় প্রার্থী ও ভোটাররা। প্রার্থীরা একে অন্যের বিরুদ্ধে আনছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিভিন্ন অভিযোগ।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে নোয়াখালী জেলার উপকূলীয় দুই উপজেলা হাতিয়া ও সুবর্ণচরের ১৫টি ইউনিয়নে ভোট হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় সরব হয়ে উঠেছে নির্বাচনী এলাকাগুলো। তবে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শংকা কাজ করছে ভোটার- প্রার্থীদের মধ্যে।
প্রার্থীরা পরস্পরের বিরুদ্ধে ভোটারদের ভয় ভীতি দেখানো ও প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রচার-প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলছেন।
সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালী সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মনির হোসেন।
এদিকে, কিশোরগঞ্জের মহিনন্দ ইউনিয়নে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সোহেল মিয়া নামের এক কৃষক খুন হয়েছেন। মহিনন্দ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুস সালামের সমর্থক ছিলেন সোহেল মিয়া।
রোববার রাতে অপর ইউপি সদস্য প্রার্থী শফিকুল ইসলাম জহিরের সমর্থকদের সঙ্গে আব্দুস সালামের সমর্থকদের কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে রাতে সোহেল মিয়াকে ছুড়িকাঘাত করে পালিয়ে যায় প্রতিপক্ষের লোকজন।
পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক সোহেল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।