পৌরসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১০টিতে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভোটগ্রহণ চলে। পৌরসভায় নির্বাচনের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়।
নির্বাচনী পৌরসভাগুলো হলো : ব্রহ্মণবাড়িয়া সদর, রংপুরের হারাগাছ, ঝালকাঠী সদর, নোয়াখালীর কবিরহাট, কমিল্লার নাঙ্গলকোট, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, কক্সবাজারের চকরিয়া ও মহেশখালী, ফেনীর সোনাগাজী ও ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভা।
এদিকে, সংঘর্ষ ও অনিয়মের অভিযোগে নোয়াখালীর কবিরহাট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কুনিয়াউত সরকারি বিদ্যালয়সহ ৩টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। এতে ৩ জন আহত হন।
ফেনীর সোনাগাজী ও কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে অনিয়ম, কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগে নির্বাচন বর্জন করেছেন পৌরসভার বিএনপি'র দুই মেয়র প্রার্থী।
ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভায় জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
তবে অন্যান্য ভোটা কেন্দ্রগুলোতে উৎসব মুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার ২০টি ভোট কেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটাররা আসতে শুরু করেন। পুরুষদের তুলনায় নারী ভোটারদের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা যায়।
নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব) সহআইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৪৪২ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১০৭ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৩৯ জন প্রর্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।