দ্বিতীয় দফায় ৬৪৩টি ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল (বৃহস্পতিবার)।অনিয়ম ও সহিংসতা প্রতিরোধে নির্বাচনী এলাকায় নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বিজিবি, পুলিশ, র্যা ব মোতায়েন করা হয়েছে। এরইমধ্যে নির্বাচনী সহিংসতায় নেত্রকোনা ও ভোলায় ৩৫ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, এরইমধ্যে নির্বাচনের সব ধরণের প্রস্তুতি শেষ করেছে কমিশন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় বৃহস্পতিবার ৬৪৩টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ হবে। ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি এরইমধ্যে শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স ও সিলসহ বিভিন্ন নির্বাচনী সরঞ্জাম।
নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নেওয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে বিজিবি ও র্যা ব।
মঙ্গলবার মধ্য রাতে দ্বিতীয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সব ধরণের প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে।
আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর আওয়ামী মনোনিত প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বাব-বিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধলে ৫ জন আহত হন।
এছাড়াও দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনকে ঘিরে মঙ্গলবার রাতে চুয়াডাঙ্গার মোমিনপুর ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রামে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।
এর কিছু পর, ঘোড়া প্রতীক নিয়ে লড়া প্রার্থীর পোস্টার লাগানো একটি দোকানেও আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।