তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ হচ্ছে আজ (বৃহস্পতিবার) মধ্যরাতে। শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।
ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি করছে উঠান-বৈঠক। দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি। সুষ্ঠু পরিবেশে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়ার কথা বলছেন ভোটাররা। এদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে কোনো কোনো জায়গায় বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে।
২৩ এপ্রিল তৃতীয় দফার ইউপি নির্বাচনে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৯ জন, সাধারণ সদস্য পদে ২৫৩ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৮০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে প্রচার-প্রচারণা। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় এখন সরগরম নির্বাচনী এলাকাগুলো।
দলীয় অফিস, নির্বাচনী ক্যাম্প ও চায়ের দোকানগুলোতে চলছে নির্বাচনি আড্ডা। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশে ভোট দেয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে ভোটারদের মাঝে।
ভোট চাইতে নানা উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ছুটছেন দলীয়, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর বিরুদ্ধে জনাচ্ছেন নানা অভিযোগ।
ফরিদপুর সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম, আচরণ বিধি অমান্যসহ যে কোনো অনিয়ম রোধ করে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এছাড়াও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ ও ফরিদগঞ্জ দুই উপজেলার ২৫টি, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ৮টি, লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার ৮টি, খাগড়াছড়ি জেলার ৩৩টি, ও কুড়িগ্রামে নাগেশ্বরী উপজেলার ১৪টি ইউনয়নে জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা।
এদিকে, বুধবার রাতে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে বটতলী বানিহারী ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে সরকার দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
আর বুধবার দুপুরে নড়াইল সদর উপজেলার বাসগ্রাম ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়।
আহতদের নড়াইল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।