নির্বাচন

ইউপি নির্বাচন: আ’লীগ ৩৮৩-বিএনপি ৫৩

ইউপি নির্বাচন
ইউপি নির্বাচন

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ফলাফলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের জয় জয়কার। ৬০০ ইউপির মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন ৩৮৩ জন। এর মধ্যে আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২৫ জন।

এদিকে, আবারো ব্যাপক ভরাডুবিতে ধানের শীষ। বিএনপির জয় মাত্র ৫৩টি ইউপিতে। এ দফায় দেশের ৪৮ জেলার ৬১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ হয়। নানা অনিয়মের কারণে ২৪ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত থাকায় ১৪টির ফলাফল স্থগিত রয়েছে।

তৃতীয় দফা ইউপি নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ ১৭টি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এবার ভোটাভুটি হয় ৬১৪টি ইউনিয়নে। তবে বিভিন্ন অনিয়ম ও সহিংসতার কারণে মাগুরা, শরীয়তপুর, চাঁদপুর, গোপালগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ ২৪ কেন্দ্রের ভোট স্থগিত করায় ১৪টি ইউনিয়নের ফলাফল পাওয়া যায়নি। বাকি ৬০০ টির বেসরকারি ফলাফলে বিগত দুই দফার মতোই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা একচেটিয়া বিজয়ী হয়েছেন।

তৃতীয় ধাপে যারা নির্বাচিত হলেন:

আওয়ামী লীগ ৩৮৩ ইউপিতে

এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ২৫ জন

আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী ৩৪

বিএনপি ৫৬ ইউপিতে

বিএনপির বিদ্রোহী ১৫

জাতীয় পার্টি ১৪

অন্যান্য ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ৯৮ জন প্রার্থী।

এর আগে গত ২২ ও ৩১ মার্চ অনুষ্ঠিত দুই দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নিরংকুশ জয় পায়। ওই দুই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৩৫১টির মধ্যে ৯৮৪ ইউপিতেই চেয়ারম্যান পদে জয় পায়। অপরদিকে বিএনপি বিজয়ী হয় ১০৮টিতে। স্বতন্ত্র ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল জয় পেয়েছিল ২৮৯ ইউপিতে।

গত দুই বারের মতো এবারও ভোট জালিয়াতি এবং অনিয়মনের অভিযোগ এনে বিএনপি দাবি করেছে নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের কারণেই আওয়ামী লীগ এমন নিরংকুশ জয় পেয়েছে।

আর ভোট সুষ্ঠু হয়নি বিএনপির এমন অভিযোগকে নাকচ করেছে আওয়ামী লীগ।

এদিকে কমিশনের মতে গত দুই ধাপের তুলনায় এবার নির্বাচন সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হয়েছে।

বিগত দুই ধাপের চেয়ে তৃতীয় ধাপে সহিংসতা অনেকটা কম হলেও ভোট কারচুপি ও অনিয়ম অব্যাহত ছিল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এ পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতায় মারা গেছে ৫৯ জন।

তৃতীয় ধাপে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা:

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে নারায়ণগঞ্জ, মাগুরা, ফরিদপুর ও নড়াইলে। এসব ঘটনায় একজন নিহত ও আহত হয়েছে অর্ধশতাধিক মানুষ।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার রাতে ফরিদপুরের মধুখালীতে বাগাট ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা চালায় বিএনপি সমর্থীত প্রার্থীর সমর্থকরা। এতে প্রার্থীর বড় ভাইসহ ৫ জন আহত হন। আহতদের মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর বড়ভাইকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ফলাফলকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ প্রায় এক'শ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ দুইপক্ষের ২০ জন আহত হন।

মাগুরার শ্রীপুরের বদনপুরে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় ৮টি বাড়ি ঘরে ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া নড়াইল সদর উপজেলার মাইজপাড়া ইউনয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের দুর্গাপুর গ্রামে ফলাফল ঘোষণার পর দুই পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর করা হয়।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

৫৭টি জেলা পরিষদে নির্বাচন চলছে

আরআরএফ'র নতুন সভাপতি বাদল, সম্পাদক বাবলু

ইভিএমে ভোট জালিয়াতি হবে না, যাচাই করেই সিদ্ধান্ত: সিইসি

উপ-নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার

জেলা পরিষদের ভোটার তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ ইসির

ইভিএমে ত্রুটি আছে, দাবি সুজনের

সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএম: ইসি

গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচন ১২ অক্টোবর

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ