মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে চতুর্থ দফা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রচারণা—শনিবার ৭৪৩টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী এলাকাগুলো এখন সরগরম আর প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।
ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছেন তারা— হিসাব-নিকাষে ব্যাস্ত ভোটাররাও। দেখে শুনে যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান তারা।
ইউপি নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে কুড়িগ্রামের ৩ উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়নে ভোট হতে যাচ্ছে। এসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৯৬ জন, সংরক্ষিত পদে ২২১ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৬১৬ জন প্রতিদ্বন্দিতা করছেন।
সময় যতো এগিয়ে আসছে, নির্বাচনী এলাকা ততোই সরগরম হয়ে উঠছে প্রচার-প্রচারণায়। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি প্রার্থীরা ব্যাস্ত উঠান বৈঠকে।
এদিকে, রংপুরের মিঠাপুকুরের ১০টি ইউনিয়নে চতুর্থ দফায় এবার ভোট হচ্ছে। শেষ মুহূর্তের প্রচরণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন রংপুরের প্রার্থীরাও আর দেখে শুনে যোগ্য প্রার্থীকেই ভোট দিতে যান ভোটাররাও।
৭ই মে এর নির্বাচনে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ হবে। তাই দিন-রাত প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রার্থীরা। উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করছেন তারা।
আর চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩০৯ জন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ৩১ জন। সাধারণ মেম্বর পদে ২৩৪ জন আর সংরক্ষিত মহিলা পদে ৪৪ জন।
তবে ভোটররা বলছেন, এলাকার উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন আর যোগ্য ও সৎ ব্যক্তিকেই তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চান।
এছাড়াও শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় মুখর শেরপর সদর উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন। এসব ইউনিয়নের জোরেসোরে প্রচারণা চলছে। চতুর্থ দফায় এবার এ উপজেলায় ৩২ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, এলাকায় অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণের সব প্রস্তুতি এর মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।