মধ্যবর্তী বা আগাম নয়- সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়েই হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সে লক্ষ্যেই গুছাচ্ছে নিজেদের। আপাতত সম্মেলনকে ঘিরেই কাজ চলছে।
তৈরি হচ্ছে নতুন ঘোষণাপত্র, যেখানে উল্লেখ থাকবে আগামীর দিকনির্দেশনা। সম্মেলনের পর তা নিয়ে নির্বাচনের জন্য নতুন উদ্যমে নামবে দলটি।
আর দলের নেতারা বলছেন, আন্দোলন আর নির্বাচন-এ দুই ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সব সময়ই প্রস্তুত।
গত বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে মধ্যবর্তী বা আগাম নির্বাচনকে এভাবেই নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সাফ জানিয়ে দেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে হবে নির্বাচন। সেক্ষেত্রে বর্তমান সংসদের মেয়াদ পূর্ন হচ্ছে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি। এর পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যেই হবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
সে লক্ষেই নিজেদের গুছাচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরইমধ্যে নানা নির্দেশনাও দিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী। সংসদ সদস্যদের এলাকায় জনসংযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ দ্রুত শেষ করারও তাগিদ দেন তিনি।
দলের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের বাকি এক মাসেরও কম সময়। আপাতত সফল সম্মেলনের জন্যই ব্যস্ত সবাই। নতুন কমিটি হয়ে গেলে পুরোদমে নির্বাচনী কাজে নামবে আওয়ামী লীগ।
দলটির নেতারা বলছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশজুড়ে যে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে, তার ধারাবাহিকতার জন্য রাষ্ট্র পরিচালনায় আবারো আওয়ামী লীগের প্রয়োজন।