আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন—এরইমধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমাও শেষ হয়েছে। যাচাই বাছাই ও প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নিজ এলাকার প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
নির্বাচন কমিশন-ইসি জানিয়েছে, কোনো প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় এরইমধ্যে ১২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
আগামী ২৮ ডিসেম্বর ৬১ জেলায় হবে জেলা পরিষদ নির্বাচন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভোটে নির্বাচিত হবেন চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা।
মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল ১ ডিসেম্বর। যাচাই-বাছাই হবে ৩ ও ৪ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১১ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে ১২ ডিসেম্বর। এরপরই প্রার্থিরা প্রচারপ্রচারণা শুরু করতে পারেবন। প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন নির্বাচন কমিশন জানায়, ১২টি জেলায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকায় ১২ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।
গত ২০১১ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিন পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি পরিষদে অনির্বাচিত প্রশাসক নিয়োগ দেয় সরকার। মেয়াদ শেষ হওয়ায় আগামী ২৮ডিসেম্বর এসব জেলায় নির্বাচন ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।
স্থানীয় সরকারের চার ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৬৭ হাজার নির্বাচিত প্রতিনিধি এ নির্বাচনে ভোট দেবেন। বিএনপি ও জাতীয় পার্টি জেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করায় তাদের কোন প্রার্থী থাকছে না এ নির্বাচনে।