নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু করতে মেয়র প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের সহযোগিতা চেয়েছেন নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জে মেয়র প্রার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জাবেদ আলী আরো বলেন, প্রার্থী ও তাদের এজেন্ট সতর্ক থাকলে নির্বাচনে ভোট কারচুপি হবে না।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য সকল মেয়র প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনারের কাছে দাবি জানিয়েছে। তারা ফলাফল যাই হোক নির্বাচনে জয় পরাজয় মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন দাবি করেন সরকারি দল যাতে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে নির্বাচনকে যাতে প্রভাবিত করতে না পারে সে ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানান।
তিনি বলেন, সকল প্রার্থীকে সমান সুযোগ দিতে হবে।
এদিকে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রত্যাশা করেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে যাতে সকলে ভোট দিতে পারেন। তিনি এজন্য নির্বাচন কমিশনকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন।
মতবিনিময় সভায় ৭জন মেয়র প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জাবেদ আলী সকল প্রার্থীদের আশ্বস্ত করেন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য নির্বাচন কমিশনসহ আইনশৃঙ্লা বাহিনীকে প্রস্তত রাখা হয়েছে।
এবারে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৯২ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৭৮ জন, অর্থাৎ প্রায় অর্ধেকই নারী ভোটার। এ কারণে সিটি নির্বাচনে নারী ভোটাররা বিশেষ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভোটরদের প্রত্যাশা তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্যদিয়ে সিটি করপোরেশনে তাদের কাঙ্খিত প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে পারবেন।
গত সোমবার নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করে নির্বাচন কমিশন- ইসি। মেয়র পদে ৭ জন প্রার্থীসহ সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৫৬ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৮জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীকে বরাদ্দ দেয়া হয়।
দ্বিতীয় বারের মত আগামী ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ নির্বাচন।