নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হলেন ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী। বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আইভী নৌকা প্রতীকে প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিএনপি প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের সাখাওয়াত হোসেন খানকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে রির্টানিং অফিসার জানিয়েছেন প্রায় ৬২ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। ফল ঘোষণার পর পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
প্রায় দ্বিগুণ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বেসরকারিভাবে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী।
১৭৪টি কেন্দ্রে তিনি ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬১১টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৪৪ ভোট। বিএনপির এই মেয়র প্রার্থীর ভোটের চেয়ে ৭৯ হাজার ৫৬৭ ভোট বেশী পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হন আইভী।
এরআগে, ২০১১ সালের নির্বাচনে আইভী পেয়েছিলেন ১ লাখ ৮০ হাজার ৪৮ ভোট। সেবার প্রতিদ্বন্দ্বী শামীম ওসমানের চেয়ে ৭৮ হাজার ৭০৫ ভোট বেশী পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হয়েছিলেন আইভী। এবারই প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে প্রথম ভোট হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভোট শুরু হয়ে শেষ হয় বিকেল ৪টায়। নির্বাচনে কোনো অপ্রীতিকর বা সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ হয়েছে।
রির্টানিং অফিসার জানিয়েছেন মোট ভোট পড়েছে ৬২দশমিক তিন তিন শতাংশ।
এদিকে, ফলাফল ঘোষণার পর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে সব ধরনের সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগ নিষিদ্ধ করেছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৭১ হাজার ৬৫৫ জন। নির্বাচনে মোট ২০১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৭ ওয়ার্ডে ২৭টি কাউন্সিলর পদে প্রার্থী ছিলেন ১৫৬ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ৯টি পদে ৩৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।