উন্নয়ন বৈষম্যের শিকার কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ৯টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। গত পাঁচ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি এসব ওয়ার্ডে।
এলাকাবাসিদের অভিযোগ, করপোরেশনের আওতায় থাকলেও নানা বৈষম্যের শিকার তারা। উন্নয়নের কাজে সদর ও মহল্লার পার্থক্য সহজেই চোখে পড়ে। ভোটের সময় উন্নয়নের ফুলঝুড়ি দেখালেও পরে আর জনপ্রতিনিধিদের পাওয়া যায়নি। হোল্ডিং ট্যাক্স দিলেও উন্নয়ন হয়নি তেমন কিছুই।
তারা আরো বলেন, বিগত সময়ে প্রতিশ্রুতি পূরণে দেখা যায়নি মেয়র ও কাউন্সিলরদের। সেখানে ড্রেনেজ সমস্যার পাশাপাশি রয়েছে ভাঙাচোরা সড়ক ও অপ্রতুল ডাস্টবিন। তাই ভূক্তভোগীরা আসন্ন সিটি নির্বাচনে এখন থেকেই ভোটের হিসেব-নিকেশ কষছেন।
এদিকে, উন্নয়নের বৈষম্যের কথা স্বীকার করেন বিএনপি মেয়র প্রার্থী ও বিদায়ী মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, জাপানের উন্নয়ন সংস্থা- জাইক্যার বরাদ্দ না পাওয়ায় নয়টি ওয়ার্ডে উন্নয়ন সম্ভব হয়নি।
আর নির্বাচনে জয়ী হলে নাগরিক বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা।
তবে সব ওয়ার্ডের উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিক পরিষেবায় জনপ্রতিনিধিরা কাজ করবেন, এমনটাই প্রত্যাশা ভোটারদের।