একাদশ জাতীয় নির্বাচনের কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ইসি।
রোববার কমিশন কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ রোডম্যাপ ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদা।
আইনি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংস্কার, নির্বাচনী প্রক্রিয়া সহজ করার লক্ষে সবার পরামর্শ গ্রহণ এবং সীমানা নির্ধারণসহ ৭টি বিষয় নির্ধারণ করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
আগামী ৩১ জুলাই রোডম্যাপ নিয়ে সুশীল সমাজের সঙ্গে বৈঠক করবে ইসি। এর আগে ২৫ জুলাই থেকে ভোটার তালিকা হালনাগাদের মধ্য দিয়ে শুরু হবে নির্বাচনী কার্যক্রম জানিয়ে তিনি বলেন আগামী বছর ৩১ জানুয়ারি এ তালিকা প্রকাশ করা হবে।
এছাড়া আগস্টে শুরু হবে নির্বাচনী এলাকার সীমানা চূড়ান্ত করার কাজ— পরের বছর এপ্রিল মাসে তা শেষ করে গেজেট প্রকাশ করা হবে বলে জানান সিইসি।
আগামী বছরের জুনে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ এবং জুলাই মাসে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশ করার কথাও জানান সিইসি।
এর আগে মার্চের মধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন যাচাই করা হবে।
কোন দল সভা করবে আর কোন দল করতে পারবে না—তফসিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত এটি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) এখতিয়ারের বিষয় নয়। তফসিল ঘোষণার পর এটি ইসির এখতিয়ারে আসবে। তখন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেন সিইসি।
নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচনে ভোট গ্রহণে ইভিএম ব্যবহারের দরজা বন্ধ করা হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর সরকার সহযোগিতা করলে এর ব্যবহার সম্ভব।
নুরুল হুদা বলেন, বর্তমান কমিশন সরকার, কোনো দল বা দেশি বিদেশি সংস্থার প্রভাবমুক্ত থেকে নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর।
প্রভাবমুক্ত থেকেই নির্বাচন করতে পারবে বলে কমিশনের বিশ্বাস আছে বলে জানান তিনি।