রোডম্যাপ ঘোষণা শেষে নির্বাচন কমিশনের এখনকার কর্মসূচি সংলাপ। শুরুতেই ডাক পেয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। আগামী জাতীয় নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় কমিশনকে সে পরামর্শ দেবেন তারা।
তাদের প্রত্যাশা এবার অন্তত কাগুজে বাঘের তকমা থেকে বেরিয়ে আসুক কমিশন। কার্যকর পদক্ষেপ নিক সব দলের সমান সুযোগ নিশ্চিতে; সাহসী ভূমিকা রাখুক সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে।
নির্বাচনের বেশ আগেভাগেই নিজেদের কর্মপরিকল্পনা-নির্বাচনী রোডম্যাপ দিয়েছে কমিশন। বরাবরের মতো সে কর্মপরিকল্পনায় রয়েছে সংলাপের বিষয়টি। প্রথমেই ডাক পেয়েছেন নাগরিক সমাজের ৬০ প্রতিনিধি।
তালিকায় আছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, অর্থনীতিবিদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, কলামনিস্ট, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও সাবেক আমলা। আগামী ৩১ জুলাই তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় নির্বাচন বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ নেবে কমিশন।
এছাড়া, নির্বাচন কমিশনের প্রতি প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের চাওয়া নানাবিধ সংকীর্ণতার উর্দ্ধে উঠে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সচেষ্ট হবে নির্বাচন কমিশন।