রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই জমে উঠছে প্রাথীদের নির্বাচনী লড়াই। শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, পাড়া মহল্লায় প্রচারণা চালাতে মাঠে নামেন আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাপার মেয়র প্রার্থীরা।
ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দিচ্ছেন উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি। প্রচার-প্রচারণায় থেমে নেই কাউন্সিলর ও নারী কাউন্সিলরাও। আর মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হোসেইন মুহম্মদ এরশাদ তার ভাতিজা হোসেন মকবুল শাহরিয়ার আসিফকে দল থেকে বহিষ্কার করেছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রংপুর সিটি নির্বাচন উপলক্ষ্যে জিলা স্কুল অডিটরিয়ামে প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন মতবিনিময় করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।
এ সময় সিইসি বলেন, সকলের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত কমিশন।
আলোচনায় উঠে আসে নির্বাচনে সব প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত, সেনাবাহিনী মোতায়েন, ভোট কেন্দ্রে ভোট গণনা ও ফলাফলসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এছাড়াও নির্বাচনে পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে ফলাফল ঘোষণার দাবিও জানান প্রার্থীরা। সহিংসতা ঠেকাতে প্রশাসনকে আরও তৎপর হওয়ারও আহ্বান তাদের।
এদিকে, নির্বাচনী আচরণ বিধি ও সমান সুযোগ নিশ্চিত নিয়ে সংশয় বাড়ছে প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে। এ সব বিভ্রান্তি কাটাতে প্রার্থী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে নির্বাচন কমিশন।