গাজীপুর সিটি নির্বাচনে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন ভোটারা। নির্বাচনে যাতে পেশীশক্তি ও কালো টাকার ব্যবহার না হয়, সেজন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের আরো সচেতন থাকার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নগরীর আনাচে কানাচে, দেয়াল ও রাস্তার দুই ধারে ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার লাগিয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থীদের স্ব উদ্যোগে এসব নামিয়ে ফেলার কথা। এ জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গণবিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়।
তবে প্রার্থীদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় অবেশেষে উচ্ছেদে নামে নির্বাচন কমিশন।
আর রিটার্নিং কর্মকর্তা বলছেন, নির্বাচনী আচরণবিধি না মানা হলে দোষী প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আচরণবিধি বা নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের ব্যাপারে অনেক সচেতন কমিশন।
এ অবস্থায় আচরণবিধি মেনে চলা ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলররা কতটুকু ভুমিকা রাখেন, সেদিকে তাকিয়ে আছেন ভোটার ও এলাকাবাসি।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, রংপুর ও কুমিল্লা সিটি এবং সম্প্রতি গাজীপুর সদরের তিনটি ইউনিয়নের নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা ছিল ইতিবাচক। একইভাবে গাজীপুর সিটি নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে এমনই আশা তাদের।
আগামী ১৫ মে এ সিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ, আর প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৩ এপ্রিল।