গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি বস্তিতে বসবাসকারি ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণে বেড়েছে প্রার্থীদের নানামুখী তৎপরতা। একারণে প্রার্থীদের সমর্থক ও কর্মীদের আনাগোনা বেড়েছে সিটি এলাকার বিভিন্ন বস্তিতে।
বছরের অন্য সময় বস্তির এ জনগোষ্ঠীর খবর কেউ না নিলেও এরইমধ্যে কদর বেড়েছে সবচেয়ে অবহেলিত এ বাসিন্দাদের। বস্তিবাসির পাশে থেকে তাদের উন্নয়নে প্রার্থীরা দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও।
তবে ভোটারদের অভিযোগ, ভোটের আগে অনেক ওয়াদা দেন প্রার্থীরা— তবে ভোট শেষ হয়ে গেলে বা নির্বাচিত হওয়ার পর আর তা রক্ষা করেন না কেউ।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বসবাসরত এক লাখেরও বেশি বস্তিবাসি নারী-পুরুষের কদর যেন হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে এখানে তৎপর হয়ে ওঠেছেন মেয়র, কাউন্সিল প্রার্থী এবং তাদের কর্মী-সমর্থকরা। এখনকার ১৯ বস্তিতে ভোটার সংখ্যা সাড়ে ২৮ হাজার।
এছাড়াও নির্বাচনের সময় অর্থের বিনিময়ে প্রার্থীদের প্রচারণা, মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেন বস্তিবাসিরা। এজন্য তাদের নিজেদের দলে ভেড়াতে নানা কৌশল ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা।
তবে এসব এলাকার মানুষের অভিযোগ, নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা ড্রেন, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে আবাসন ও নানা উন্নয়নমূলক কাজের প্রতিশ্রুতি দেন। তবে নির্বাচিত হওয়ার পর কেউ তাদের খোঁজ নেয় না।
এলাকার গরীব মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে যাবেন বলে জানালেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার।
কর্মের মাধ্যমে বস্তিবাসি যেন উন্নত জীবনযাপন করতে পারে সেজন্য প্যাকেজ প্রোগ্রামের পরিকল্পনার কথা জানালেন আর আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম।
আগামী ১৫ মে এ সিটির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার প্রতীক বরাদ্দের পরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা।