খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আগামীকাল (সোমবার)— এরইমধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী সরঞ্জাম ভোটকেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
যেকোন বিশৃঙ্খলা এড়াতে এরইমধ্য মাঠে নেমেছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। সড়ক মহাসড়কে চলছে তল্লাশি। গতকাল (রোববার) মধ্যরাতেই শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, খুলনায় থেমে গেছে মাইকিং, হচ্ছে না মিছিল, নেই প্রার্থীদের গণসংযোগ। তবে সর্বত্র সাজ সাজ রব। নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে রাস্তাঘাটে যানবাহন ও মানুষের চলাচল কম থাকলেও ভোটারদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসাহ উদ্দীপনা। কে হতে যাচ্ছেন পরবর্তী নগরপিতা— শেষ মূহুর্তে তাই হিসেব কষে নিচ্ছেন ভোটাররা।
নগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডের ২৮৯ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। এরমধ্যে ২৫৫ টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হেসেবে চিহ্নিত করে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন।
খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে, রোববার রাত থেকেই নগরীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। টহল দিচ্ছে ১৬ প্লাটুন বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে।
এছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় রিক্সা, এম্বুলেন্স ও ইমার্জেন্সী যানবাহন ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
আর নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব আব্দুল বাতেনের নেতৃত্বে ২৯ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষক দল এরইমধ্যে নির্বাচনের সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণে কাজ শুরু করেছে। সবমিলিয়ে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, প্রার্থী ও ভোটাররা।