গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সোমবার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম।
আগামীকাল-সোমবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভোটগ্রহণ।
এরইমধ্যে নির্বাচনে প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে এনেছে কমিশন। নির্বাচনী এলাকায় জরুরি যানবাহন ছাড়া অন্য যানবাহন চলাচল করছে না।
প্রচারণা শেষ হওয়ায় নগরীতে আনাগোনা নেই প্রার্থীদের। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ আনসারের পাশাপাশি ২৯ প্লাটুন বিজিবি, র্যা বের ৬৫৭টি টিম ও ৫৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন মাঠে।
মঙ্গলবার গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। রোববার মধ্যরাতেই নগরীতে প্রচার-প্রচারণা থেমে গেছে তবে বিরাজ করছে উৎসবমুখরতা।
নির্বাচনের কমিশনের প্রস্তুতিও প্রায় শেষ। সকাল এগারোটা থেকে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।
এরইমধ্যে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে পুরো নির্বাচনী এলাকা। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তল্লাশি চলছে। অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ও জরুরি যানবাহন ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। আঞ্চলিক সড়কগুলোতেও তেমন একটা যানবাহন চলাচল করছে না।
কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ১২ হাজার আনসার সদস্য ও পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সড়কে টহল জোরদার করতে কাজ করছে ২৯ প্লাটুন বিজিবি। নির্বাচনী এলাকায় এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে র্যা বের ৬৫৭ টি টিম। মাঠে রয়েছেন ৫৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এর আগে গত ১৫ মে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। হাইকোর্টের আদেশে প্রথমে ভোট স্থগিত হয়। পরে আপিল বিভাগ স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলে নতুন করে ২৬ জুন ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন সাত জন প্রার্থী। আর সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৫৪ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৮৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।