আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন- ইভিএম জোর করে চাপিয়ে দেয়া ঠিক হবে না বলে মনে করেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা।
এটার ওপর সব রাজনৈতিক দলের আস্থা থাকলে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সব দলের সমান সুযোগ রেখে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব সরকারের বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরেক সাবেক সিইসি বিচারপতি আব্দুর রউফও ইভিএম বিষয়ে একমত পোষণ করেছেন।
সেইসঙ্গে নির্বাচনে ভোটাধিকারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন তিনি।
বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে ফেমবোসা সম্মেলনে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে এসব মন্তব্য করেন সাবেক দুই প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন বেশ উত্তপ্ত। আরপিও সংশোধনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে তা ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এই ইভিএম জাতীয় নির্বাচনে পরীক্ষামূলক না ব্যাপকভাবে ব্যবহার হবে তা এখনও চূড়ান্ত করেনি কমিশন। এ অবস্থায় ইভিএম নিয়ে সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা।
স্থানীয় নির্বাচনে এর পরীক্ষামূলক ব্যবহারে তাদের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিলো বলে দাবি করেন তিনি।
এটা নিয়ে তাড়াহুড়ো কিংবা জোর করে চাপিয়ে না দিয়ে সব রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা অর্জন জরুরি বলে মনে করেন এই সাবেক সিইসি।
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, ভোটার, মিডিয়ারও যথাযথ ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি।
ইভিএম সম্পর্কে বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ মানুষের সঠিক ধারণা নেই বলে দাবি করেছেন আরেক সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রউফ।
ইভিএম সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দিয়ে সেইসঙ্গে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার কথাও বলেন এই সাবেক সিইসি।