নির্বাচন

ইসি বৈঠক: নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে বিধিমালা চূড়ান্ত

নির্বাচন কমিশন
নির্বাচন কমিশন

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রোনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম ব্যবহারে বিধিমালা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৈঠকে সব কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছিলেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণাসহ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের পর এবার বিধিমালাও চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে আগামী সংসদ নির্বাচনে এই ভোটযন্ত্র ব্যবহারে সবরকম আইনিভিত্তি নিশ্চিত হলো। বিধিমালার গেজেট সোমবারের মধ্যে প্রকাশ করার কথা রয়েছে।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা বলেন, দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে সংসদ নির্বাচনে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোটকেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

আজ-রোববার বিধিমালা চূড়ান্ত হওয়ায় আইনি ভিত্তি নিয়ে আর কোনো জটিলতা থাকলো না।

ইভিএম:

এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২০১০ সালের জুন মাসে দেশে প্রথমবারের মতো সীমিত পরিসরে চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে ইভিএম চালু হয়।

২০১৫ সালের এসে ওই ইভিএম বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে ডিজিটাইজড সুবিধা সম্বলিত নতুন ইভিএম তৈরি করে ইসি। ২০১৬ সালে রংপুর সিটি নির্বাচনে তা চালু হয়। এর দু’বছরের মাথায় সংসদে নতুন প্রযুক্তিটি চালু হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইভিএম বিধিমালা ২০১৮-এ রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, ভোট গণনা, ফল একীকরণসহ নানা বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে।

এতে বলা হয়েছে- ইভিএমে আঙুলের ছাপ, ভোটার নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা স্মার্ট পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভোটারকে শনাক্ত করা হয়।

নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোটকক্ষে একজন করে ভোটার ভেরিফিকেশন করেন পোলিং অফিসার।

ডেটাবেজে ভোটার বৈধ হিসেবে শনাক্ত হলেই ভেরিফিকেশনের সঙ্গে যুক্ত প্রজেক্টের মাধ্যমে তা পোলিং এজেন্টের কাছে দৃশ্যমান হবে।

মেশিনটিতে কুইক রেসপন্স কোড QR CODE সহ আরও কিছু তথ্য সম্বলিত টোকেন মুদ্রণ করে ভোটারকে দেয়া হয়।

ভোটার টোকেন নিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে এলে ভোটিং মেশিনের QR CODE স্ক্যানারের মাধ্যমে শনাক্ত করে গোপন কক্ষে থাকা তিনটি পদের জন্য ব্যালট ইউনিটে ব্যালট ইস্যু করা হয়।

ভোটার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীক দেখে বাম দিকের বোতামে চাপ দিয়ে সিলেক্ট করেন এবং ওই ব্যালট ইউনিটের সবুজ রংয়ের CONFIRM বোতাম চেপে তার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

কখনো ভুলবশত কোনো প্রতীক সিলেক্ট করা হলে, ব্যালট ইউনিটের লাল রংয়ের CANCEL বোতাম চেপে পরবর্তীতে যে কোনো প্রার্থীকে আবার সিলেক্ট করা যাবে।

এভাবে দুইবার CANCEL করা যাবে, তৃতীয়বার যেটি সিলেক্ট করা হবে সেটি বৈধ ভোট হিসেবে গৃহীত হবে।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

৫৭টি জেলা পরিষদে নির্বাচন চলছে

আরআরএফ'র নতুন সভাপতি বাদল, সম্পাদক বাবলু

ইভিএমে ভোট জালিয়াতি হবে না, যাচাই করেই সিদ্ধান্ত: সিইসি

উপ-নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার

জেলা পরিষদের ভোটার তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ ইসির

ইভিএমে ত্রুটি আছে, দাবি সুজনের

সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএম: ইসি

গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচন ১২ অক্টোবর

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ