উৎসবমুখর পরিবেশে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানীসহ সারাদেশে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে শেষ হয়েছে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের কাজ।
প্রতীক পেয়ে সোমবার থেকেই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন একাদশ জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীরা।
সকাল ১০টায় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়ার কাজ শুরু হয়। আর এর আগে থেকেই জেলা ও উপজেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ভীড় করেন প্রার্থীরা।
কুমিল্লার ১১টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীরা নির্বাচনী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতীক বরাদ্দ নেন।
এই আসনে ৮৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া অন্যান্য জেলায়ও চলে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের কাজ। বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত চলে এ কাজ।
নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুয়ায়ী প্রতীক বরাদ্ধের পরপরই প্রার্থীরা প্রচারণা শুরু করতে পারবেন আর এ প্রচারণা বন্ধ হবে ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগে। এবারের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে ৩০ ডিসেম্বর সকাল আটটায়। ফলে প্রচারণা বন্ধ করতে হবে ২৮ ডিসেম্বর রাত ১২টায়। ফলে এবার ১৯ দিন প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন প্রার্থীরা।
প্রচার-প্রচারণায় মেনে চলতে হবে নির্বাচনী আচরণ বিধি। পোস্টার রঙ্গিন করা যাবে না। পোস্টারে প্রার্থী ছাড়া দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করা যাবে না। পোস্টার দঁড়িতে ঝুলিয়ে প্রচার করতে হবে।
চারশ বর্গফুটের বেশি প্যান্ডেল করে প্রচার চালানো যাবে না। কাপড়ের তৈরি ব্যানার করে প্রচারণা চালানো গেলেও ডিজিটাল ডিসপ্লে ব্যবহার করা যাবে না।
জনসাধারণের চলাচলের অসুবিধা হয় এমন কোন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। মাইকে প্রচার চালানো যাবে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। পাশাপাশি একই নির্বাচনী এলাকাতে ৩টির বেশি লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।
মোটর সাইকেলসহ যেকোনো মোটরগাড়িতে করে মিছিল, মশাল মিছিল বা শোভাযাত্রা একদম নিষিদ্ধ।
প্রচারণায় সরকারি সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের সব সুবিধা ত্যাগ করে প্রচার কাজে অংশ নিতে হবে।
দলীয় প্রধান ছাড়া অন্য কেউ হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারবেন না।
প্রচারের অংশ হিসেবে যে কোন প্রকার দেয়াল লিখন, পোস্টার সাঁটানো দন্ডনীয় অপরাধ।