'সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ'-এ স্লোগানে ২১ দফা অঙ্গীকার নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলো আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আওয়ামী লীগের ইশতেহার ঘোষণা করে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এবারের অঙ্গীকার টেকসই বিনিয়োগ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
তিনি বলেন, আজকের বাংলাদেশ আর্থিক দিক দিয়ে যেমন শক্তিশালী তেমনি মানসিকতার দিক দিয়েও বলীয়ান।
২১ দফা অঙ্গীকারে তিনি তুলে ধরেন শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচিত হলে আনুপাতিহারে জনবল নিয়োগ হবে পুলিশ বাহিনীতে। অব্যাহত থাকবে জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি।
আগামী পাঁচ বছরে দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, জিডিপি উন্নীত করা হবে ১০ শতাংশে, সামাজিক সুরক্ষাপ্রাপ্তের সংখ্যা দ্বিগুন করা হবে, বাড়বে ভাতা।
পদ্মাসেতুর দুই পাড়ে শিল্পনগরী, ১ বছরের নিচে আর ৫ বছরের উপর নাগরিকের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, ঢাকা ও বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে বুলেট ট্রেন করার কথা জানান তিনি।
এবারের ইশতেহার ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারের ধারাবাহিকতা উল্লেখ করে এ সকল অঙ্গীকারে তুলে ধরে আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নৌকায় ভোট চান শেখ হাসিনা।
আওয়ামী লীগ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে দেশের মানুষ কিছু পায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এ দলই পারবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

শেখ হাসিনা
ইশতেহার রয়েছে :
সংসদকে আরও কার্যকর করার উদ্যেগ নেয়া হবে।
মানবাধিকারসহ বিচারবিভাগকে আরো শক্তিশালী করা হবে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার চলমান থাকবে।
বিচারবিভাগের স্বাধীনতা সংরক্ষন করা হবে।
প্রশাসনের দক্ষতা, জবাবদিহিতা ও জনসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হবে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স, দুদককে আরও শক্তিশালী করা হবে।
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স অব্যাহত থাকবে।
নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা ও শিশুকল্যাণ।
গ্রামেও আধুনিক নগর সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
তরুনসমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।
আগামী ৫ বছরে ১ কোটি ২৮ লাখ কর্মসৃজনের পরিকল্পনা।
কৃষিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে।
প্রতিটি জেলায় টেকনিক্যাল ইনিস্টিটিউট স্থাপন করা হবে
সব বিভাগীয় শহরে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হবে।
ঢাকা ও বিভাগীয় শহরের মধ্যে বুলেট ট্রেন চালু করা হবে।
২০২১ থেকে ২০২৩ এর মধ্যে ফাইভ জি চালু করা হবে
মুক্তিযোদ্ধাদের বার্ধক্যকালীন ভরন-পোষণ ও বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হবে।
অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশের সমাজ গড়ে তোলা হবে
মিথ্যা তথ্য প্রচার ও গুজব প্রচার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা নেয়া হবে
সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর আধুনিকায়ন প্রক্রিয়া চলমান থাকবে
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ অব্যাহত থাকবে।