নির্বাচন

মাঠে সেনা-আইনানুসারে করবে কাজ

মাঠে সেনা-আইনানুসারে করবে কাজ
মাঠে সেনা-আইনানুসারে করবে কাজ

সারাদেশে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে— একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোট গ্রহণের আগে-পরে থাকবে তারা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন-ইসি।

তবে বরাবরের মতো বেসামরিক প্রশাসনের অধীনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা কাজ করবেন।

রির্টানিং অফিসার বা প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ছাড়া ভোট কেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে তারা কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।

এদিকে, সোমবার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী যেকোনো ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার-কে এম নুরুল হুদা।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে যে আইন আছে সে অনুসারে তারা কাজ করবে।

রাজধানীর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নির্বাচন কমিশন আয়োজিত চলমান ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন সিইসি।

তিনি আরো বলেন, তারা নিয়ম-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। যে অল্প কিছু অরাজকতা ছিল তা এখন দূর হবে।

এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিমতের কারণে মাত্র ৬টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে বলে জানান সিইসি।

আর নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ইভিএম পরিচালনা করবে— এ বিষয়ে সেনাবাহিনীর ট্রেনিংপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সহযোগিতা করবে বলেও জানান।

পুলিশ-আনসার-র্যা ব সদস্যদের পাশাপাশি আগেই সারা দেশে মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। সেইসঙ্গে বিমান বাহিনী-নৌবাহিনীর সদস্যরাও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত থাকছেন।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার থেকে সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে-পরে মিলিয়ে ১০ দিন তারা মাঠে থাকবেন।

সেনা সদস্যরা বরাবরের মত বেসামরিক প্রশাসনের অধীনেই কাজ করবেন। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তারা মাঠে থাকবেন তাদের সঙ্গে থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট।

সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সশস্ত্র বিমানবাহিনী-নৌবাহিনীর সদস্যরাও নির্বাচনের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত থাকছে। পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় নির্বাচনী সরঞ্জাম সরবরাহসহ নিরাপত্তার কাজও করবেন তারা।

এরই মধ্যে সারাদেশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে আনসার সদস্যদের।

নির্বাচন কমিশনে আইনশৃঙ্খলা সভায় উপস্থাপিত কার্যপত্রে বলা হয়েছে, প্রতি জেলা উপজেলা, মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট ও অন্যান্য সুবিধাজনক স্থানে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবে।

রির্টানিং অফিসার সহায়তা কামনা করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা করবে।

রির্টানিং অফিসার বা প্রিজাইডিং অফিসারের চাহিদা ছাড়া ভোট কেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে তারা কোনো দায়িত্ব গ্রহণ করবে না।

নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা সদস্যদের ভোটের দুই দিন আগে ২৮ ডিসেম্বর থেকে মোতায়েন করা হবে।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

৫৭টি জেলা পরিষদে নির্বাচন চলছে

আরআরএফ'র নতুন সভাপতি বাদল, সম্পাদক বাবলু

ইভিএমে ভোট জালিয়াতি হবে না, যাচাই করেই সিদ্ধান্ত: সিইসি

উপ-নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার

জেলা পরিষদের ভোটার তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ ইসির

ইভিএমে ত্রুটি আছে, দাবি সুজনের

সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএম: ইসি

গাইবান্ধা-৫ আসনে উপ-নির্বাচন ১২ অক্টোবর

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ