আর মাত্র একদিন পর হতে যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বড় নির্বাচন। সকলের নজর এখন রোববারের দিকে। চারিদিকে নির্বাচনী আমেজ। সব দলের সমান সুযোগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও সহিংস আচরণের মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারপর্ব শেষে এখন ভোটের অপেক্ষা। রাজধানীর ভোটকেন্দ্র গুলোতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। দেশের সাড়ে দশ কোটি ভোটার ওইদিন যার পক্ষে রায় দেবে, আগামী পাঁচ বছর তাদের হাতেই থাকবে বাংলাদেশের শাসনদণ্ড।
নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৩৯ দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে এবার এক হাজার আটশোর বেশী প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে আছেন। ১০ কোটি ৪২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৩ জন ভোটার নির্বাচিত করবেন বাংলাদেশের আগামীর নেতৃত্ব। তফসিল অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার-প্রচারণা শেষ করেছে। এখন চলছে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচন কমিশন তত্ত্বাবধানে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কোথাও কোথাও বুথ নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে।
কেন্দ্র সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শনিবারের মধ্যে সব বুথ নির্মাণ কাজ শেষ হবে।
প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিকভাবেই এগোচ্ছে।
আশা প্রকাশ করে বলেন, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশেই ভোট গ্রহণ হবে।
এবার সারাদেশে ৪০ হাজার ৫১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। আর ৬ লাখ ৬২ হাজার ১১৯ জন কর্মকর্তা ভোট গ্রহণ করবেন। দেড় হাজার নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম থাকছেন ভোটের মাঠে। রয়েছে ১২২টি নির্বাচনী তদন্ত কমিটি।
ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের নিরাপত্তায় বিভিন্ন বাহিনীর ৫ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। আছে সেনা, নৌ কোস্টগার্ড সদস্যরাও।
তফসিল অনুযায়ী, প্রতীক বরাদ্দের পর গেল ১০ ডিসেম্বর সারাদেশের আনুষ্ঠানিক ভোটের প্রচার শুরু হয়েছিল। সেই সুযোগ শেষ হলো শুক্রবার সকাল ৮টায়। এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা।